সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা বিদ্যুতের দাম বাড়লো দুই বছরে নিঃস্ব হয়ে ফিরেছেন ২১৫ জন তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১৪৮৭ কোটি টাকা মা-বাবার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ গণমাধ্যম, পুলিশ ও প্রবাসীদের উদ্যোগে অসহায় সাজু মিয়ার মুখে হাসি হাওরপাড়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস যাত্রী ওঠানো নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১২, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর ১০টি পৌরসভার পানি সরবরাহ লাইনে ত্রুটি, দুর্ভোগে ৬ শতাধিক গ্রাহক স্থানীয় সরকার নির্বাচন : আগস্টের শেষে তফসিল, অক্টোবরে ভোটের চিন্তা হাওরে কৃষকের নিরানন্দ ঈদ তোফায়েল আহমেদ আর নেই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা : এমপি কামরুল

সুইস ব্যাংকে টাকাগুলো কাদের, কীভাবে জমা হয়েছে : মির্জা ফখরুল

  • আপলোড সময় : ২২-০৬-২০২৫ ১২:০৭:১৯ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২২-০৬-২০২৫ ১২:০৮:৪১ পূর্বাহ্ন
সুইস ব্যাংকে টাকাগুলো কাদের, কীভাবে জমা হয়েছে : মির্জা ফখরুল
সুনামকণ্ঠ ডেস্ক ::
সুইস ব্যাংকে বিপুল পরিমাণ টাকা কাদের এবং সেগুলো কীভাবে জমা হয়েছে এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার (২১ জুন) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি আয়োজিত পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন।
মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সুইস ব্যাংকে অনেক টাকা জমা হয়েছে এই বছরের মধ্যে। জানি না এই টাকাগুলো কাদের, কবে কীভাবে জমা হয়েছে। তবে এই সংবাদটা দেখলেই প্রতিটি দেশপ্রেমিক মানুষের মনে হবে, তাহলে কি কোনো পরিবর্তন হয়নি? সুইস ব্যাংকে জমা হওয়া টাকা নিয়ে তিনি এটাও বলেছেন, জানি না এটা ঠিক কখন হয়েছে। ২০২৪ সালে যদি হয়ে থাকে, তবে সঠিকভাবেই এসেছে যে, ফ্যাসিস্ট আমলে হয়েছে।
ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ দেশটাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। তারা নির্বাচনব্যবস্থা, রাষ্ট্রীয় কাঠামো, আমলাতন্ত্র-সব ধ্বংস করে দিয়েছে, সেগুলোকে ঠিক জায়গায় নিয়ে যেতে কাজ শুরু করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার কাজ শুরু করেছে, নিঃসন্দেহে তারা ইতিমধ্যে অনেক ভালো কাজ করেছেন। আমাদের পথ দেখাচ্ছেন। লন্ডন বৈঠকে নতুন বাংলাদেশ গঠনে আশার আলো দেখা দিয়েছে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, গত ১০ মাসে যেসব ঘটনা ঘটেছে, তাতে সন্দিহান হয়ে পড়েছিলাম। কিন্তু অত্যন্ত আশ্বস্ত হয়েছি, যখন ড. ইউনূস ও তারেক রহমানের বৈঠকে কতগুলো বিষয়ে একমত হয়েছে দুপক্ষই। এতে আশার আলো দেখা দিয়েছে। নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের মানুষের আকাক্সক্ষা পূরণ হবে বলে আশা প্রকাশ করছি। ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, প্রাথমিকভাবে সফল হয়েছি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায়। এখন সবাই মিলে দেশ গঠনে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে ৩১ দফা দিয়েছে বিএনপি। এ সময় সংস্কার ও নির্বাচন প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, যে বিষয়গুলো নিয়ে আন্দোলন করেছে যুগপৎ শরিকেরা, তা নিয়ে কাজ করলে জনগণের আশা পূরণ করবে। বেশির ভাগ সংস্কার প্রস্তাবে একমত হলেও যেসব বাকি থাকবে তা পরবর্তী সংসদ বাস্তবায়নে উদ্যোগী হবে। ঐকমত্য কমিশন গঠন হয়েছে। সেখানে সংস্কার নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। অনেক বিষয়ে একমত হচ্ছি, কিছু বিষয়ে একমত হচ্ছি না। যেসব বিষয় একমত হচ্ছে না, তা নির্বাচনের পর সংসদ আলোচনার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নিবন্ধনের আবেদনে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, নতুন দল এনসিপি নিবন্ধনের জন্য আবেদন করবে। তাদের স্বাগত জানিয়েছি আগে, আবারও জানাব। তাদের প্রতি প্রত্যাশা অনেক বেশি। তাদের তারুণ্য নিঃসন্দেহে লক্ষ্য অর্জনে সবাইকে সাহায্য করবে। দেশকে নূতন করে তৈরি করতে অন্তর্বর্তী সরকারকে ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো সহযোগিতা করবে বলেও এ সময় প্রত্যাশার কথা জানান বিএনপি মহাসচিব।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক এতে সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ আরও অনেকে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। উল্লেখ্য, ইউরোপের দেশ সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের জমা অর্থের পরিমাণ এক বছরের ব্যবধানে ৩৩ গুণ বেড়েছে। জমা অর্থের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫৯ কোটি সুইস ফ্রাঁ (সুইজারল্যান্ডের মুদ্রা)। ২০২৩ সালে এর পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৭৭ লাখ সুইস ফ্রাঁ। সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের (এসএনবি) বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২১ সালের পর গত বছরই বাংলাদেশিদের সর্বোচ্চ পরিমাণ অর্থ জমা হয়েছে সুইস ব্যাংকগুলোতে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স